Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

নাকের গয়না সম্পর্কে আপনার জ্ঞান কতটুকু

নাকের নানা ধরনের গয়না হয়, আর তার সবগুলোকেই কিন্তু নাকছাবি বলে না! বহু পুরোনো নকশার নাকের গয়নাও ইদানীং জনপ্রিয় হয়েছে, প্রাদেশিক অলঙ্কারও পরেন অনেকেই। যাঁরা দুর্দান্তভাবে নাকের গয়না ক্যারি করেন, তাঁদের মধ্যে আমাদের প্রিয় নায়িকা স্ব…



নাকের নানা ধরনের গয়না হয়, আর তার সবগুলোকেই কিন্তু নাকছাবি বলে না! বহু পুরোনো নকশার নাকের গয়নাও ইদানীং জনপ্রিয় হয়েছে, প্রাদেশিক অলঙ্কারও পরেন অনেকেই। যাঁরা দুর্দান্তভাবে নাকের গয়না ক্যারি করেন, তাঁদের মধ্যে আমাদের প্রিয় নায়িকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ের নাম অবশ্যই সবার আগে আসবে। একেবারে মহাকাব্যের নায়িকাদের নাকের বর্ণনায় যেমনটি দেওয়া থাকত, স্বস্তিকার নাকের গড়ন ঠিক তেমন। বাঁশির মতো সরু, কিন্তু পাটাটি প্রশস্ত, ফলে নানা ডিজ়াইনের অলঙ্কারে তাঁকে মানায় ভালো। তবে প্রাচীন ভারতে নাকের গয়না তেমন চালু ছিল না, খুব পুরোনো বইপত্রে তার উল্লেখ পাওয়া যায় না। মোটামুটি মধ্যযুগ থেকে অবশ্য নথ, মাকড়ি, বোন্দা, বেসর, নোলক ইত্যাদি নানা প্রকারের ব্যবহার চালু হয়। মেয়েদের বামদিকের নাকে অলঙ্কার পরাটাই দস্তুর। আগেকার দিনে সাধারণত বিশেষ বিশেষ কারণেই কেবল শিশুর ডান নাকে ফুটো করা হত, ইদানীং অবশ্য সে সব বিধিনিষেধ উঠে গিয়েছে।


নাকছাবি বা নাকফুল: পরা সবচেয়ে সহজ, নানা আকারের হয়। একটা সরু ডাঁটি বা বাঁকানোর প্যাঁচের আগায় থাকে ছোট্ট পাথর বা সামান্য নকশা বসানোর জায়গা। সোনা বা রুপোর হতে পারে, দামী হিরে, চুনি, পান্না বা মুক্তো বসানো হয়। আজকাল আদিবাসী নকশার অনুপ্রেরণায় বড়ো বড়ো রুপোর নাকছাবিও তৈরি হচ্ছে, এমন গয়নাকে আগেকার দিনে বলা হত নাকপাশা। ছবিতে বিদ্যা বালন নাকে যে গয়নাটি পরেছেন, সেটিকে নাকপাশা বলা যায়।


নথ: বিয়ের দিনে নথ পরার দস্তুর চালু আছে আজও। নথ সাধারণত বেশ বড়ো আকারের হয়, নাকের ছিদ্র দিয়ে ঢুকিয়ে বঁড়শির মতো আঁকড়ায় আটকে দেওয়া হয়। বড়ো ফাঁদের নথে পলা, মুক্তো, হিরে লাগানোর চল আছে, অনেক সময় ভার সামলানোর জন্য নথের সঙ্গে সরু চেন লাগানো হয় এবং তা আটকে দেওয়া হয় চুলের খোঁপায়। ঝুমকো দোলানো নথকে বলা হয় ঢেঁড়ি নথ। পশ্চিম ভারতের বিবাহিতা মেয়েরা খুব ভারী নথ পরতে অভ্যস্ত, আজকাল অবশ্য তা কেবল উৎসবের দিনেই পরা হয়।


বেসর ও নোলক: এইদু’টিই পরা হয় নাকের ডাঁটিতে। বেসরে কারুকাজের পরিমাণ চোখ টানে। নোলক সাধারণত ছোট মেয়ে বা কম বয়সের বউয়েরা পরে। নোলকের ঠিক মাঝে ছোট কুন্দফুল বা একটি ঝালর লাগানো হয় সাধারণত।


মাকড়ি: মাকড়ি নথের ছোট সংস্করণ, তবে মাকড়িতে নানা ধরনের কারুকাজ থাকতে পারে। মরাঠি মহিলারা যে নথনি পরেন, তা-ও এক প্রকার কারুকাজ করা মাকড়িই বটে। উপরের ছবিতে স্বস্তিকার নাকের গয়নাটি এই গোত্রে পড়বে।


কী, এত রকম গয়না থাকলেও আপনার নাকে ফুটো নেই বলে মন খারাপ করছেন নাকি? চিন্তা করবেন না, ইদানীং নানা নকশার চমৎকার সব টেপা নাকছাবি পাওয়া যায়, স্বচ্ছন্দে তেমন কিছু একটা কিনে পরতে পারেন!

No comments