Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

*জানুন, সুন্দর ও কোমল ত্বক পেতে, এই তেলগুলির ব্যবহারকারী গুন সমন্ধে :*

অনেকেই ত্বকের যত্নে সিরাম ব্যবহার করেন, কিন্তু মার্কেট থেকে কেনা সিরামের মধ্যে কেমিকেল থাকে যা ত্বকের জন্য ভাল নয়। তাই ত্বকের যত্নের জন্য আপনি তেল ব্যবহার করতে পারেন। ন্যাচারাল অয়েল ব্যবহারের ফলে ত্বকে কোনওরকমের পার্শ্ব প্রতিক্রি…




অনেকেই ত্বকের যত্নে সিরাম ব্যবহার করেন, কিন্তু মার্কেট থেকে কেনা সিরামের মধ্যে কেমিকেল থাকে যা ত্বকের জন্য ভাল নয়। তাই ত্বকের যত্নের জন্য আপনি তেল ব্যবহার করতে পারেন। ন্যাচারাল অয়েল ব্যবহারের ফলে ত্বকে কোনওরকমের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখা যায় না। তাহলে জেনে নিন, সিরামের পরিবর্তে আপনি কোন কোন প্রাকৃতিক তেল ব্যবহার করতে পারেন। 


নারকেল তেল :


নারকেল তেলে লিনোলিক অ্যাসিড পাওয়া যায়, যা ত্বককে ময়শ্চারাইজ করতে সহায়তা করে। এছাড়াও, এই তেলে লোরিক অ্যাসিড পাওয়া যায় যা ত্বকের পুষ্টি যোগায়। রাতে মুখ পরিষ্কার করে কয়েক ফোঁটা নারকেল তেল নিয়ে মুখে ম্যাসাজ করুন। এটি মুখের কালো দাগ কমায়। নারকেল তেল প্রয়োগ করলে মুখের ত্বক উজ্জ্বল হয়। নারকেল তেল ত্বকের কোনও ক্ষতি করে না।


লবঙ্গ তেল :


মুখের ফাইন লাইন হ্রাস করতে আপনি লবঙ্গ তেল ব্যবহার করতে পারেন। ক্লোভ অয়েলে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে লবঙ্গ তেল ম্যাসাজ করলে মুখের ত্বক উজ্জ্বল হয়। ক্লোভ অয়েলে অ্যান্টি-এজিং উপাদান রয়েছে। আপনি লবঙ্গ তেলের সঙ্গে ভিটামিন ই মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন। 


ক্যাস্টর অয়েল :


চুল ঘন এবং উজ্জ্বল করতে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু আপনি হয়তো জানেন না যে, ক্যাস্টর অয়েল ত্বকের যত্নেও ব্যবহার করা যেতে পারে। ক্যাস্টর অয়েলে অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা পিম্পল কমাতে সহায়তা করে। ক্যাস্টর অয়েল অ্যান্টি-এজিং হিসেবে কাজ করে। মুখের রিঙ্কেলস কমাতে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহার করা হয়। আপনি ক্যাস্টর অয়েলের সঙ্গে নারকেল তেল মিশিয়েও মুখে ম্যাসাজ করতে পারেন। 


বাদাম তেল :


বাদামের তেল ত্বকের জন্য খুবই উপকারি। এতে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এছাড়া বাদামের তেলে ভিটামিন এ পাওয়া যায়, যা ব্রণ নিরাময়ে সহায়তা করে। এই তেল লাগালে মুখে আর্দ্রতা বজায় থাকে।

No comments