পরীক্ষা বাতিল, বিক্ষোভে শামিল ছাত্রছাত্রীরা - Vice Daily

Page Nav

HIDE

Grid Style

GRID_STYLE

Post/Page

Weather Location

Breaking News:

latest

পরীক্ষা বাতিল, বিক্ষোভে শামিল ছাত্রছাত্রীরা

প্রশ্নপত্র নেই পরীক্ষা বাতিল
কামাক্ষাগুড়ি শহীদ  ক্ষুদিরাম কলেজে প্রিন্সিপাল কে ঘিড়ে বিক্ষোভে শামিল ছাত্রছাত্রীরা একাধিক দাবিতে কামাখ্যাগুড়ি শহীদ ক্ষুদিরাম  কলেজের টিচার ইনচার্জকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্…

প্রশ্নপত্র নেই পরীক্ষা বাতিল
কামাক্ষাগুড়ি শহীদ  ক্ষুদিরাম কলেজে প্রিন্সিপাল কে ঘিড়ে বিক্ষোভে শামিল ছাত্রছাত্রীরা একাধিক দাবিতে কামাখ্যাগুড়ি শহীদ ক্ষুদিরাম  কলেজের টিচার ইনচার্জকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাল তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যরা। শুক্রবার বিকেলে ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কলেজ চত্বরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। টিচার ইনচার্জকে এক ঘন্টা ঘেরাও করে রাখেন ছাত্রছাত্রীরা। শেষে লিখিত মুচলেকা দিলে তাকে ছাড়া হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টা থেকে কলেজের তৃতীয় বর্ষের বাংলা অনার্স বিষয়ের টেস্ট পরীক্ষা ছিল। অভিযোগ, নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও প্রশ্নপত্র তৈরি না হওয়ায় পরীক্ষা শুরু হয়নি। শেষে ওই পরীক্ষা বাতিল করে দেয় কলেজ কর্তৃপক্ষ। এছাড়াও দুপুর আড়াইটা থেকে তৃতীয় বর্ষের সাধারণ বিভাগের বাংলা পরীক্ষা ছিল। ওই পরীক্ষায় হাতে লেখা প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। সংগঠনের সদস্যরা কলেজে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। তৃণমূল ছাত্র পরিষদ নেতা তথা কলেজের প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক সুমিত বর্মনের অভিযোগ, ছাত্রছাত্রীরা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ক্লাসে যায়। কিন্তু সাড়ে ১১ টা বেজে গেলেও কোনো অধ্যাপক পরীক্ষা নেওয়ার জন্য ক্লাসে যায়নি। ছাত্রছাত্রীরা অধ্যাপকদের কাছে জানতে চাইলে তারা টিচার ইনচার্জ কাছে যেতে বলেন। এরপর ছাত্রছাত্রীরা টিচার ইনচার্জের গেলে তাদের বলা হয় প্রশ্নপত্র তৈরি হয়নি। সবাইকে হোয়াটঅ্যাপে প্রশ্নপত্র দেওয়া হবে। এরপর দুপুরে হাতে লেখা প্রশ্নপত্র জেরক্স করে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। হাতে লেখা প্রশ্নপত্রে এর আগে কোনোদিন কলেজে পরীক্ষা হয়নি। এটা কলেজের ইতিহাসে প্রথম। সুমিত বর্মন বলেন, কলেজের অধ্যাপক অধ্যাপিকারা সঠিক সময়ে কলেজে আসেন না। ঠিকঠাক কলেজে ক্লাস হয় না। কলেজে পানীয় জলের সমস্যা রয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নিয়েও পরিচয়পত্র দেওয়া হয়নি। এই সমস্ত বিষয় গুলি নিয়ে এদিন টিচার ইনচার্জের কাছে জানতে চাওয়া হয়। জানা গিয়েছে, এদিন বিকেল ৩ টা মিনিট থেকে ৪ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত টিচার ইনচার্জকে ঘেরাও করে রাখা হয়। পরে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলে ঘেরামুক্ত হন টিচার ইনচার্জ অধ্যাপক স্মৃতিকান্ত বর্মন। শহীদ ক্ষুদিরাম কলেজের টিচার ইনচার্জ স্মৃতিকান্ত বর্মন জানান, ছাত্রছাত্রীদের পরিচয়পত্র প্রায় তৈরি হয়ে গেছে। খুব শীঘ্রই ছাত্রছাত্রীদের হাতে পরিচয়পত্র তুলে দেওয়া হবে। তৃতীয় বর্ষের বাংলা অনার্সের প্রশ্নপত্র প্রিন্ট হয়নি। মেল থেকে প্রশ্নপত্র বের হয়নি। তাই আমরা পরীক্ষা বাতিল করে দিয়েছি। তৃতীয় বর্ষের সাধারণ বিভাগের বাংলা প্রশ্নপত্র তৈরি করা সম্ভব হয়নি। তাই হাতে লেখা প্রশ্ন দিয়ে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি কলেজের জিবি মিটিংয়ে সব বিষয়ে আলোচনা হবে।

No comments