Top Ad 728x90

More Stories

Thursday, 19 July 2018

ব্যাঙ্ক চত্বরে পরপর ছিনতাই, প্রশ্নের মুখে নিরাপত্তা

by

বোলপুরঃ ব্যাঙ্কের বাইরে ছিনতাইয়ের চেষ্টা। একই দিনের কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জোড়া ঘটনায় বোলপুরের বাসিন্দাদের উদ্বেগ বেড়েছে
বোলপুর ষ্টেটব্যাঙ্ক শাখা থেকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে আনুমানিক ৪লক্ষ  টাকা ছিনতাইয়ের চেষ্টা হয় বাঁধগোড়ার বাসিন্দা হারাধন বাবু মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা তুলে বাইরে বেরোতে গেলে  ছিনতাইকারীরা সিনেমার কায়দায় ১০ ও ২০ টাকার নোট মাটিতে ফেলে দিয়ে হারাধন বাবুকে বলে, "আপনার টাকা পড়ে গেছে" হারাধন বাবু নিজের টাকা মনে করে অন্যমনস্ক হতেই সাইকেলে জড়ানো তার টাকার ব্যাগ হাতিয়ে পালানোর চেষ্টা করে দুষ্কৃতীরা। এই সময় হারাধন বাবু চিৎকার করে উঠলে ছিনতাইকারী পালিয়ে যায়।এই ঘটনার ১ঘন্টা পর ওই ব্যাঙ্কের আর এক গ্রাহক বীরেন্দ্রনাথ সরকার তাঁর পেনশনের ১০হাজার টাকা তুলে বাইরে বেরোন। একইভাবে ওই ভদ্রলোকের টাকা হাতিয়ে নিয়ে চম্পট দেয় ছিনতাইয়ের দল। এখানেও কার্যত একই কায়দায় টাকা হাতিয়ে নেওয়া হয়।
মাত্র কয়েক ঘন্টার ব্যাবধানে জোড়া ছিনতাইয়ের ঘটনায় ব্যাঙ্ক চত্বরের মধ্যে গ্রাহকদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে
ব্যাঙ্কে নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষী ও সিসিটিভি থাকা সত্বেও এই ছিনতাইকারী দল কিভাবে এতটা সক্রিয় ও বেপরোয়া তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। অন্যদিকে ব্যাঙ্ক থেকে বোলপুর থানার দূরত্ব এক কিলোমিটারের মধ্যে, তাও এই ধরনের ঘটনা কীভাবে ঘটছে গ্রাহকরা এই নিয়েই উদ্বিগ্ন তারা প্রশ্ন তুলেছেন শহরের নিরাপত্তা নিয়ে। 

সেলফি জুতো

by
সেলফি তুলতে কে না ভালোবাসেন। সেলফি তোলার জন্য সেলফি স্টিকের বিকল্প নেই। কিন্তু সারাক্ষণ তো আর স্টিক বয়ে বেড়ানো সম্ভব না। আর তাইতো নিউইয়র্কের জুতা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান মিজ মোজ সেলফি জুতা বানিয়েছে।
আপনার পা যদি লম্বা আর নমনীয় হয় তবে এই জুতা দিয়ে আপনি অনায়াসেই সেলফি তুলতে পারবেন। জুতার ডগায় স্মার্টফোন বসানোর ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ছবি তোলার জন্য পায়ের পাতায় সেন্সর আছে। পা তুলে দিব্যি মনের খায়েশ মিটিয়ে ছবি তোলা যাবে এই জুতা দিয়ে।
মিজ মোজের ডিজাইনার চেরি ম্যাটসনের ভাষ্য, ‘সেলফি স্টিক ছাড়া খুব ভালো ছবি তোলা যায় না। কিন্তু সবখানে স্টিক নিয়ে যাওয়াও ঝামেলার কাজ। এসব থেকে রেহাই দেবে সেলফি জুতা। এই জুতা পড়ে খুব সহজেই সেলফি তোলা যাবে।
তবে সেলফি জুতা দিয়ে সেলফি তুলতে হলে শারীরিক কসরত করতে হবে। পা তুলে সেলফি তোলা সহজ কাজ নয়।

ফোনের কিছু প্রয়োজনীয় এই অ্যাপস

by
বর্তমান সময়টা হচ্ছে স্মার্টফোনের। মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার অনুষঙ্গও হয়ে উঠেছে এই স্মার্টফোন। আর এই স্মার্টফোনের অনেক সুবিধার মাঝে একটি হচ্ছে বিভিন্ন ধরণের অ্যাপ। বেশিরভাগ লোকই অধিকাংশ হ্যান্ডসেটের অ্যাপস ব্যবহার করে সময় কাটান বা প্রয়োজনীয় কাজ সারেন।

ফোনের জায়গা অনুযায়ী অনেক ধরণের অ্যাপস ইনস্টল করা যায়। যেগুলোর মধ্যে বেশ কিছু নিত্য প্রয়োজনীয়। তবে আপনার ফোনে যে অ্যাপসগুলো অবশ্যই থাকা উচিত।

গুগল ম্যাপ:
বিশ্বভ্রমণকে আরও গতিশীল ও সহজ করেছে গুগল ম্যাপ। খুব সহজেই আপনি শহরের যেকোনো জায়গার অবস্থান ও তথ্য জানতে পারেন নিমিষেই। ভ্রমণের ক্ষেত্রে নির্দেশনা পেতে পারেন এখান থেকে।

ইউটিউব:
ভিডিও ক্লিপ, ট্রেইলার এবং শো দেখার জন্য বেশ জনপ্রিয় অ্যাপটি। এখানে বিভিন্ন চ্যালেনগুলোতে সাবস্ক্রাইব করা যায়, ভিডিও এডিট ও আপলোড করে বন্ধুদের সঙ্গে শেয়ার করা যায় এবং যেকোনো ডিভাইস দিয়ে দেখা যায়।

ইস্টাগ্রাম:
এই অ্যাপের মাধ্যমে বন্ধুদের সঙ্গে যুক্ত হওয়া যায়। তাদের সঙ্গে অভিজ্ঞতা শেয়ার করা যায়। এখানে বিভিন্ন আবহে ছবি ও ভিডিও আপলোড করে সবার সঙ্গে শেয়ার করা যায়।

উবার:
অ্যাপভিত্তিক দ্রুত এবং নির্ভরযোগ্য এই ট্যাক্সিসেবা ঢাকাসহ বিভিন্ন দেশেই বেশ পরিচিত। তবে নির্দিষ্ট শহরেই কেবল এই সেবা পাওয়া যায়। এই অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই আপনি ট্যাক্সি ভাড়া নিতে পারেন। ২৪ ঘণ্টায় এই সেবা চালু থাকে। ক্রেডিটকার্ড বা ক্যাশের মাধ্যমে ভাড়া পরিশোধ করা যায়।

টুইটার:
নতুন নতুন তথ্য পেতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে টুইটারেই থাকুন। ব্রেকিং নিউজ এবং বিনোদন থেকে শুরু করে খেলাধুলা, রাজনীতি এবং দৈনন্দিন বিশ্বের যেকোনো ঘটনা আপনি জানতে পারেন।

ডার্ক স্কাই ওয়েদার:
আবহাওয়ার আপডেট খবর জানাবে এই অ্যাপ। আসন্ন প্রবল বৃষ্টি না থাকলে সূর্য উঠবে নাকি বৃষ্টি হবে এক ঘণ্টা আগে আপনি তাৎক্ষণিক আপডেট পেতে পারেন।

এডিসন সফটওয়্যারের ইমেইল:
এই ইমেইল সাধারণত আইওএস ডিভাইসের অ্যাপ স্টোরে থাকে। দ্রুত সুসংগঠিত ও দক্ষতার সঙ্গে মেইল ব্যবহারের জন্য এই সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

মোদির বিদেশযাত্রার খরচ কত? কী জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

by

নিজস্ব প্রতিবেদন: মাত্র চার বছরেই বিরাশিটি দেশ সফর। বিয়াল্লিশবার বাইরে যাওয়া। বিদেশ সফরের জন্য নরেন্দ্র মোদির কত খরচ হয়েছে। এই প্রশ্ন অনেকেরই। সংসদে সেই কৌতুহলের জবাব দিলেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী ভি কে সিং
রাজ্যসভায় ভি কে সিং জানান, গত চার বছরে প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে শুধু যাতায়াতের খরচ 1484 কোটি টাকা। এর মধ্যে 1088 কোটি টাকা তাঁর বিমানের রক্ষণাবেক্ষণের খরচ। বাকি 387 কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রী চার্টাড ফ্লাইটে খরচ হয়েছে। বাকি 9 কোটি টাকা হটলাইনের খরচ। 2014 সালের জুন মাসে ভুটান দিয়ে মোদির বিদেশ সফর শুরু হয়

বুদ্ধিমান ও মেধাবী সন্তান পেতে যা করবেন

by
সব মায়েরাই প্রত্যাশা থাকে, তার সন্তান যেন বুদ্ধিমান ও মেধাবী হয়। আর এটা অনেকটাই নির্ভর করে মায়ের সঠিক খাদ্যাভ্যাসের ওপর।
যদি কোনও মা পুষ্টিকর খাবার না খান যেমন : ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন ডি, লোহা ইত্যাদি তাহলে তার শরীরে কিছুটা ঘাটতি থেকে যাবে। আর এর প্রভাব পড়বে সন্তানের ওপর।
মায়ের সঠিক খাবারের অভাবে শিশুর মানসিক বিকাশে সমস্যা দেখা দিতে পারে। গর্ভাবস্থায় মা কী খায় সেটা সন্তানের শারীরিক ও মানসিক গঠনে বড় ভূমিকা পালন করে।
গর্ভাবস্থায় আপনি এমন কিছু খাবার খেতে পারেন যা আপনার বাচ্চার আইকিউ (ইন্টেলিজেন্স কোশেন্ট) বাড়াতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আপনার সন্তান যখন জন্মগ্রহণ করে ওর মস্তিষ্কের মাপ যে কোনও পূর্ণ বয়স্ক মানুষের ২৫% হয়। ২ বছর বয়সে সেটা বেড়ে হয় ৭৫% যা স্বাভাবিক মস্তিষ্ক। প্রথম  দুই বছর সন্তানের জন্য দরকার মস্তিষ্কের সঠিক বিকাশ।
তাহলে দেরি কেন? আসুন জেনে নিই গর্ভাবস্থায় কী কী খাবার খেলে আপনি বুদ্ধিমান সন্তানের জন্মদিতে পারবেন।
মাছ : স্যালমন, টুনা, ম্যাকারেল ইত্যাদি ওমেগা-৩ ফ্যাটি এ্যাসিড সমৃদ্ধ।এগুলো বাচ্চার মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য খুবই জরুরি।একটা গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েরা গর্ভাবস্থায় সপ্তাহে দুবারের বেশি মাছ খায় তাদের সন্তানের বুদ্ধি বা আইকিউ বেশি হয়।
ডিম : ডিম এ্যামিনো এ্যসিড কোলিন সমৃদ্ধ,যাতে মস্তিষ্কের গঠন ভাল হয় ও স্মরণশক্তি উন্নতি হয়।গর্ভবতী নারীদের দিনে অন্তত দুটো করে ডিম খাওয়া উচিত যার থেকে কোলিনের প্রয়োজনের অর্ধেক পাওয়া যায়। ডিমে থাকা প্রোটিন ও লোহা জন্মের সময় ওজন বাড়িয়ে দেয়।
দই : সন্তানের স্নায়ু কোষগুলো গঠনের জন্য আপনার শরীর প্রচুর পরিশ্রম করে। এ জন্য আপনার বাড়তি কিছু প্রোটিন লাগবে। আপনাকে প্রোটিনযুক্ত খাবার বেশি করে খেতে হবে যেমন : দই। দইয়ে ক্যালসিয়াম আছে যেটা গর্ভাবস্থায় লাগে।
আয়রন : আয়রন সমৃদ্ধ খাবার যা আপনার সন্তানকে বুদ্ধিমান হতে সাহায্য।এই খাবারগুলো গর্ভাবস্থায় অবশ্যই খাওয়া উচিত। আয়রন আপনার গর্ভের সন্তানের কাছে অক্সিজেন পৌঁছে দেয়। এছাড়াও চিকিৎসকের পরামর্শে আপনার আয়রনের সাপ্লিমেন্ট খাওয়া উচিত।
ব্লুবেরি : ব্লুবেরির মত ফল, আর্টিচোক (ডাটা গাছ), টমেটো ও লাল বিন্সে এ্যান্টি ওক্সিডেন্ট থাকে। তাই গর্ভাবস্থায়  এই ফলগুলো আপনার সন্তানের মস্তিষ্কের টিস্যুকে রক্ষা করে ও বিকাশে সাহায্য করে।
ভিটামিন-ডি : এটা শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য খুব দরকার। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েদের ভিটামিনের মাত্রা প্রয়োজনের চেয়ে কম থাকে তাদের বাচ্চার মস্তিষ্ক দুর্বল হয়। ডিম, চিজ, বিফ, লিভার ইত্যাদি খাবারে ভিটামিন ডি  পাওয়া যায়। এছাড়া ভিটামিন-ডি এর ভাণ্ডার সূর্য্যের আলো তো আছেই।
আয়োডিন :  আয়োডিনের অভাব, বিশেষ করে গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহে সন্তানের আইকিউ কম করে দিতে পারে। গর্ভাবস্থায় আয়োডিনযুক্ত  লবণ খান। এছাড়া সামুদ্রিক মাছ, শামুক, ডিম, দই ইত্যাদি খেতে পারেন।
সবুজ শাক-সবজী  যেমন : পালং শাক, ডাল ইত্যাদি ফলিক এ্যাসিড সরবরাহ করে।এছাড়াও ফলিক এ্যাসিড সাপ্লিমেন্ট ভিটামিন বি-১২- এর সঙ্গে খাওয়া উচিত।
মস্তিষ্কের কোষ গঠনে ফলিক এ্যাসিড খুব প্রয়োজনীয়।একটা গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব নারীরা গর্ভবস্থায় সন্তান প্রসবের চার সপ্তাহ আগে ও আট সপ্তাহ পর অবধি ফলিক এ্যাসিড নিয়ে থাকে তাদের ৪০ শতাংশ অটিস্টিক সন্তান জন্ম দেয়ার আশংকা কম থাকে।

সেলফি র করনে ‘মানসিক রোগ’ সেলফিস এ আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে

by
সেলফি, আজকালকার ডিজিটাল প্রজন্মের কাছে বহুল ব্যবহৃত একটা শব্দ। সেলফি অর্থ প্রতিকৃতি যা প্রথম এসেছে ইংরেজি শব্দ ‘সেলফিস’ থেকে। রবার্ট কার্নিলিয়াস নামক এক ব্যক্তি ১৮৩৯ সালে সর্বপ্রথম সেলফির ব্যবহার করেন।
বর্তমানে সেলফির প্রবণতা বা সচরাচর এর ব্যবহারের মাত্রা চরম পর্যায়ে। ফেসবুক এর আগে মাইস্পেস নামক সাইটে সেলফি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। প্রাথমিক অবস্থায় সেলফি তরুণদের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে এটা প্রায় সর্বস্তরেই প্রচলিত। ক্যামেরা বা স্মার্টফোনের সামনের ক্যামেরা দিয়ে নিজের প্রতিকৃতি তোলাই হল সেলফি। ‘নিজেস্বী’ বা সেলফি হলো আত্ম-প্রতিকৃতি বা দলগত প্রতিকৃতির আলোকচিত্র। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম যেমন ফেসবুক, টুইটার, গুগল+, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যপচ্যট ইত্যাদি সাইটে সেলফি ব্যাপক শেয়ার করা হয়ে থাকে।

২০১২ সালের শেষের দিকে টাইম ম্যাগাজিনের এক সমীক্ষায় বলা হয় সেলফি শব্দটি সেরা দশ শব্দের ভেতর একটি। ক্যামেরা ও স্মার্টফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান স্যামসাংয়ের জরিপ মতে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী মানুষের তোলা ছবির ৩০%ই সেলফি। অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারির অনলাইন ভার্সনে সেলফি শব্দটি ২০১৩ সালে প্রথম সংযোজিত হয়।
বর্তমানে সেলফি নারী-পুরুষ উভয়ের মাঝেই বেশ জনপ্রিয়। তবে অনেক সমাজবিজ্ঞানীর মতে সেলফির শুরু মূলত ‘পর্ন’ সংস্কৃতি থেকে। নিজের শরীর সুন্দরভাবে প্রদর্শনের মাধ্যমে অন্যকে আকৃষ্ট করার জন্যই মূলত মহিলারা সেলফি তুলতো। আকর্ষণীয়ভাবে নিজেকে উপস্থাপনই ছিল সেলফির মূল উদ্দ্যেশ্য। তবে ধারণামতে ২০১০ সালের পরে সেলফির প্রেক্ষাপট ভিন্ন হতে শুরু করে।
সুন্দর ও ভালো মানের সেলফি তোলার জন্য বাজারে চলছে বিভিন্ন ব্র্যন্ডের উন্নত ফ্রন্ট ক্যমেরা যুক্ত স্মার্টফোন। বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানি বাজারে নানা ধরনের সেলফি স্টিকও এনেছে। যেগুলো দিয়ে স্মার্টফোন বা ক্যামেরার মাধ্যমে এক চাপেই নেওয়া যায় সুন্দর একটা সেলফি। শুধু সেলফি স্টিক নয়, আকর্ষণীয় সেলফি তোলার জন্য রয়েছে বিভিন্ন ধরনের সেলফি অ্যাপস। বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন স্মার্টফোনগুলোর অপারেটিং সিস্টেমে অ্যাপসগুলো চলে এবং সেলফি তুলতে দারুণ সুবিধাজনকও বটে। তন্মধ্যে সেলফি ক্যাম, ক্যান্ডিপিক, ইউক্যাম, সুইট সেলফি, রেট্রিকা, স্নো সেলফি, পারফেক্ট ৩৬০ বেশ জনপ্রিয়। এ ছাড়া সুন্দর সেলফি তোলার জন্য অনেকে আলাদা পোশাকেরও ব্যবহার করে থাকেন।
ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া এই সেলফির রয়েছে নানা ভয়াবহ দিক। অনেক বিশেষজ্ঞই একে মানসিক রোগ বলে আখ্যায়িত করে থাকেন। অস্ট্রেলিয়ার একদল গবেষকের গবেষণায় সেলফি সম্পর্কে উঠে এসেছে চমৎকার কিছু তথ্য। আর সেগুলো হলো, মানুষ সেলফি তোলার পর সেগুলো তার মুঠোফোনে সীমাবদ্ধ না রেখে ছড়িয়ে দেয় সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোয় এবং তারা আশা করে যে অন্যেরা তার সম্পর্কে মন্তব্য করুক। কিন্তু ভয়াবহ ব্যাপার হলো মানুষ ওইসব মন্তব্য থেকে নিজেকে যাচাই করতে শুরু করে।
ব্যক্তির নিজস্ব অবস্থানটা অন্যের বক্তব্যের ওপর ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে যেটা খুবই ভয়ংকর একটা বিষয়। যার ফলে তাদের নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস দিন দিন কমতে থাকে ও তাদের মগজে ভুল তথ্যের আধিক্য দেখা দেয়। কিছু মানুষ নিজের প্রতি নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করতে শুরু করে। মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে ও অস্বাভাবিক হয়ে যেতে শুরু করে। কিছু মানুষের ভেতর সেলফি তোলা ও সেটা সামাজিক যোগাযেগ মাধ্যমে শেয়ার করার জন্য এত উত্তেজনা কাজ করে যে তার অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাজের কথাও ভুলে যান।
আমেরিকার সাইকিয়াট্রিস্ট এসোসিয়েশন সম্প্রতি ঘোষণা করেছে যে সেলফি তোলা অবশ্যই একটি মানসিক রোগ। যার নাম দেওয়া হয়েছে সেলফাইটিস। নিজস্ব মানসিক সংযম ব্যতীত এর কোন ওষুধ নেই। এ রোগের চরম পর্যায় হলো “ক্রনিক সেলফাইটিস”। এই রোগে আক্রান্তরা দিনে পাঁচবারের বেশি বিরামহীন ও নিয়ন্ত্রণহীনভাবে সেলফি তোলেন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আপলোড করেন।
মূলত ১৩ থেকে ২২ বছর বয়সী টিনএজরা ‘ক্রনিক সেলফাইটিস’ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। বর্তমানে হরহামেশাই মানুষ স্থান, আবহাওয়া, পরিস্থিতি বিবেচনায় না রেখে সেলফি তোলা শুরু করে যেটা অন্যের কাছে বিরক্তির পর্যায়ে চলে যায়। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফিরে ‘ফিলিং ব্লেজড, অশালীন ও কুরুচিপূর্ণ পোশাক পরিহিত মহিলার সঙ্গে সেলফি তুলে ‘ফিলিং লাভ’ ক্যপশনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা সত্যিই বিরক্তিরও বটে। অনেকে সেলফি আপলোড করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটা মন্তব্যের আশায় বসে থাকেন। যার ফলে নষ্ট হয় তার মূল্যবান সময়। এটা ব্যক্তি ও সামাজিক পর্যায়ে যথেষ্ট ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে।
আকর্ষণীয় সেলফির জন্য ক্যামেরার সামনে অনেকে মুখ বিকৃতি করে থাকেন, মাঝে মাঝে এমন হাসি দেন যেটা বর্ণনার অতীত। এগুলো একপ্রকার প্রতিবন্ধী ভাবেরও পরিচায়ক। সেলফি থেকে সেলফিস হওয়াটাও অস্বাভাবিক কিছু নয়। অন্যের ছবি কেমন হয়েছে সেদিকে খেয়াল না রেখে নিজেরটা কেমন হলো সেটা নিয়েই ব্যস্ত থাকে অনেকে। অন্যর ছবিটা কেমন আসলো সেটা চিন্তায় না রেখে নিজেরটা আপলোডে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
মাত্রাতিরিক্ত অপকারিতার মাঝেও সেলফির রয়েছে কিছু উপকারী দিক। প্রতিদিন সেলফি তোলা ও সেটা পরখ করে স্বাস্থ্য সচেতন হওয়া একপ্রকার উপকার বলেই বিবেচ্য। এ ছাড়া সেলফি ক্ষণিকের জন্য হলেও প্রাণে আনন্দরসের সঞ্চার করে, জন্ম দেয় মানসিক প্রশান্তির। নিজের প্রতি যত্নশীলও করে তোলে।

বহু পুরুষের রাতের ঘুম এখনও হারাম হয়

by
বি-টাউনে সবচেয়ে আবেদনময়ী নায়িকা কে? একবাক্যে বিপাশা বসুর নাম বলে দিলেও খুব বেশি বিতর্কের কিছু থাকবে না। ক্যারিয়ারের শুরু থেকে ভক্তদের মনে আবেদন ছড়িয়ে চলেছেন বিপাশা। শোনা যায়, তার জন্য নাকি বহু পুরুষের রাতের ঘুম এখনও হারাম হয়।
সম্প্রতি এই নায়িকাকে কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। সাহসী বিপাশা উত্তরও দিয়েছেন লাজলজ্জা ভেঙেই। অকপটে বলেছেন সব। জানিয়েছেন ১৪ বছর ধরে সেক্স সিম্বল-এর ট্যাগ বহন করতে কেমন লাগে? একা বলিউডে এসে নিজের জমি তৈরি করতে কী কী হারাতে হয়েছে তা-ও বলেছেন।
তার কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল- যেদিন থেকে এই ইন্ডাস্ট্রিতে এসেছেন, সেদিন থেকে আপনার নামের পাশে ‘সেক্সি’ বলে একটা ট্যাগ পড়ে গিয়েছে। প্রতিটা ছবিতেই ওই ‘সেক্সি’ ট্যাগটা আপনার সঙ্গেই থেকেছ। প্রত্যেকে পরিচালক এটা ব্যবহার করেছেন। এটা কি আপনাকে বিরক্ত করে?
বিপাশা বলেন, আমার তো নিজেকে ভাগ্যবান বলেই মনে হয়। ব্যক্তিগতভাবে কোনও সেক্স অ্যাপিল না থাকা সত্ত্বেও সবাই আমাকে ‘সেক্সি’ বলে ভাবেন। আমি যে চরিত্রে অভিনয় করি, সেদিকে মন দিই। কাজে মননিবেশ করি। তারপরেও যদি আপনাদের আমাকে সেক্সি মনে হয়, তাহলে আমি সেক্সি। আমি এমন অনেক চরিত্রে অভিনয় করেছি, যেগুলো মোটেই গ্ল্যামারাশ নয়। কিন্তু আমি সত্যিই অনেক সেক্সি।
তিনি বলেন, ‘আক্রোশ’-এও আমি গৃহবধূর চরিত্রে অভিনয় করেছিলাম। অনেকে বলেছিলেন, আমাকে ‘সেক্সি হাউজওয়াইফ’ দেখাচ্ছে। যেহেতু সবাই আমাকে ওই বিশেষ ট্যাগটা সব সময়ই দিয়ে থাকেন, তাই সেটা নিয়ে সন্দেহ রাখি না। সত্যি বলতে, ওই ট্যাগটা নিয়ে আমি খুশি। বহু বছর এই ইন্ডাস্ট্রিতে আছি। আর আমার ক্যারিয়ার ওই ট্যাগটাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
আরেক প্রশ্নে তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল- একটা মেয়ে, যার কোনও খুঁটি ধরা নেই, সে যখন যৌন আবেদন নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে আসেন, কেউ কেউ কি তার ফায়দা তুলতে চায় না? বলিউডের মতো প্রায় পুরুষ-চালিত একটা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজটা কঠিন নয় কি?
এমন প্রশ্নে মোটেই বিচলিত বিব্রত নন বিপাশা। বলেন, ‘এখানে সারভাইভ করা খুব কঠিন নয়। আপনাকে বুঝতে হবে, আপনি যখন ‘ওদের’ সুযোগ দেবেন, তখনই ওরা তার ফায়দা তুলবে। হঠকারিতা আপনাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে না। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। নীতিতে দৃঢ় থাকতে হবে এবং নিজের প্রতি সম্মান যেন না হারায়।
নায়িকার ভাষ্য, ১৬ বছর বয়সেই আমি বুঝে গিয়েছিলাম, ‘হ্যাঁ’ বলাটা সহজ, কিন্ত্ত ‘না’ বলাটা কঠিন। দৃঢ় একটা ‘না’ বলা উচিত, যাতে আপনি সম্মত নন। এই দর্শন থাকলে, জীবন অনেক সহজ হয়ে যায়। প্রত্যেকের জার্নিটা নিজস্ব। কাজ আর সম্মানের মধ্যে আমি সব সময়ই সম্মানটাকে বেশি গুরুত্ব দিই। কাজ হারাতে রাজি আছি, নিজের প্রতি সম্মান হারাতে নই। আমি নিজেকে সম্মান করি, আপনাকেও। আপনি তার ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করুন, আপনি আমার থেকে পাওয়া সম্মান হারাবেন, আমাকেও হারাবেন।

Top Ad 728x90

Top Ad 728x90