Top Ad 728x90

More Stories

Saturday, 21 July 2018

অধিক সহবাস করার ক্ষতি কি জেনে নিন

by
মাত্রাতিরিক্ত কোনো জিনিসই ভালো না। সহবাস করার ক্ষেত্রে ও তেমন। আবে হায়াতও অধিক পান করা ভালো নয়, অন্যথায় এটা বিষ হয়ে যায়।সুতরাং সর্বক্ষেত্রেই মধ্যম্পন্থা অবলম্বন করা চাই। বিশেষ করে সুস্বাদু ও মজাদার বস্তু খাওয়ার মাঝে কখনোই অতিরিক্ত করা ঠিক নয়। অধিক সহবাসের কারণে গর্ভধারণের শক্তিও হারিয়ে ফেলার সম্ভাবনা রয়েছে।

কেননা অধিক সহবাসে পুরুষের  ও মহিলার অমূল্য সম্পদ নষ্ট হয়ে যায়। যুবক-যুবতীরা তাদের যৌবনকালে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ না করে দিওয়ানা হয়ে সহবাসের মাধ্যমে কিংবা অন্য কোনো উপায়ে অমূল্য সম্পদ  নষ্ট করে ফেলে। তাদের খেয়ালই নেই যে, মাত্রাতিরিক্ত সহবাস করে নষ্ট করে দিচ্ছে। এক সময় তাদের অবস্থা এমন হয় যে, মাথায় হাত দিয়ে কাঁদতে থাকে।অবশেষে কোনোভাবে সহবাসের জন্য বিভিন্ন ডাক্তারদের স্মরণাপন্ন হয়ে ওষুধের মাধ্যমে সহবাস করতে হয়। অথচ নিজেকে নিয়ন্ত্রণে রেখে সহবাস করলে এসব জ্বালা সহ্য করতে হত না ।

ভালো ছেলের সাথে মেয়েরা প্রেম বা বিয়ের সম্পর্কে জড়াতে চায় না

by
ভালো ছেলেরা অনেক বোকা হয়ে থাকে এটা ঠিক কিন্তু তাই বলে তো এরা খারাপ হয় না বাজে স্বভাবের হয় না। এই সব ভালো ছেলের সাথে মেয়েরা প্রেম বা বিয়ের সম্পর্কে জড়াতে চায় না কেন?
কথা সত্যি। ভালো ছেলেদেরে সাথে মেয়েরা একেবারেই প্রেম করতে চায় না। প্রেম করলেও তা বেশিদিন টিকে না। এর কারণ ব্যবখ্যা করলে অনেক কিছুই উঠে আসবে। আসুন জেনে নিই কিারণগুলো কি কি?
গায়ে পড়া স্বভাব নেই : ভালো ছেলেরা শুধু মেয়ে কেন, কারো সাথেই গায়ে পড়ে আলাপ করতে পারেন না। এমনকি কেউ আলাপ করতে এলেও অনেকেই নিজের মাঝে গুটিয়ে থাকেন। ফলে তাঁদের পরিচিত মানুষের পরিধি হয় অনেক কম। আর মেয়েদের সাথে পরিচয়ও হয় কম।
তারা ছলকলা বোঝে না : প্রেম করতে ও কোন মেয়েকে প্রেমে ফেলতে গেলে একটু কৌশল, একটু ছলকলা জানতেই হয়। বলাই বাহুল্য যে ভালো ছেলেরা এসব থেকে একশ হাত দূরে থাকেন এবং এগুলো বোঝেনও না। প্রেমের সপ্ত ছলকলা এদের রপ্তের বাইরেই থেকে যায়।
ভালো ছেলেরা বিরক্তিকর হয় : মেয়েদের একটা চিরকালের আগ্রহ আছে একটু খারাপ ছেলেদের প্রতি। তাঁদের প্রেমিকা হওয়াকে মেয়েদের কাছে একটা চ্যালেঞ্জ মনে হয়। অন্যদিকে ভালো ছেলেদেরকে তাঁদের চোখে মনে হয় “বোরিং”।
মায়ের কথা মেনে চলে : বেশিরভাগ ভালো ছেলে মায়ের কথা খুব শোনে। মায়ের পছন্দ ছাড়া বিয়ে করবো না, কিংবা সব সিধান্তে মাকে শামিল করে তারা। এই ব্যাপারটা বেশিরভাগ মেয়ে পছন্দ করে না।
ক্যারিয়ার নিয়ে বেশী সচেতন : বেশিরভাগ ভালো ছেলেই নিজের লেখাপড়া ও ক্যারিয়ার নিয়ে খুব ব্যস্ত থাকেন। আর এই সবের মাঝেই হারিয়ে যায় প্রেম ও অন্যান্য ব্যাপার। যখন বুঝতে পারেন, ততক্ষণে দেরি হয়ে গেছে।
মিথ্যা বলতে পারে না : প্রেমের সম্পর্কে টুকটাক নির্দোষ মিথ্যা থাকেই। নিজের সম্পর্কে একটু বাড়িয়ে বলা, নিজেকে একটু হিরো সাজিয়ে উপস্থাপন করা ইত্যাদি ভালো ছেলেরা পারেই না একদম। ফোলে মেয়েরাও পটে না সহজে।
শুরুতেই সিরিয়াস হয়ে যায় : কারো সাথে প্রথম প্রথম ডেটিং-এই এই ধরণের ছেলেরা খুব বেশী সিরিয়াস হয়ে যায়। মেয়েটির ওপরে অধিকার ফলাতে থাকে। আর এটাই সম্পর্কটাকে সামনে এগোতে বাঁধা দেয়।
প্রচণ্ড আবেগী হয় : বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভালো ছেলেরা হয় প্রচণ্ড আবেগী ও স্পর্শকাতর। এরা খুব অভিমানী স্বভাবেরও হয়। তাই তুচ্ছ কারণে এদের সম্পর্ক ভাঙে এবং নতুন সম্পর্ক হয় না।
খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে : বেশিরভাগ ভালো ছেলেই সত্য ও মিথ্যার মাঝে পার্থক্য বুঝতে পারে না। ফলে তারা পুরুষ লোভী কিছু খারাপ মেয়েদের খপ্পরে পড়ে। এবং অন্য মেয়েদের উপর থেকেও বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে।
সম্পর্কভীতি কাজ করে : প্রেম করলে কী হবে? যদি বিয়ে না করতে পারি? বাসায় জানলে কী হবে? কীভাবে প্রপোজ করবো। সম্পর্ক নিয়ে ইত্যাদি হরেক রকম ভীতি কাজ করে অনেকের মনেই। আর এর ফলে তাঁদের প্রেম করাটাই হয়ে ওঠে না।

মানুষের মতো মাছের দাঁত

by
দক্ষিণ আফ্রিকার খালে পাওয়া দ্য পাচু ফিশের দাঁতগুলো হুবহু মানুষের মতো। পৃথিবীতে এমন মাছ আর কোথাও মেলেনি। এখানে জলের নিচের টিয়া পাখি দ্য ব্লু প্যারোট ফিশ অনন্য আকর্ষণের বিষয়। তবে টিয়া পাখির মতো সবুজ নয়, নীল। মজার বিষয় হলো এ মাছ জীবনের ৮০ ভাগ সময় ব্যয় করে খাবারের খোঁজে। আমাজান নদীর আরেকটি অদ্ভুত প্রাণী ব্লাইন্ড স্নেক। এ শাপকে বিলুপ্তপ্রায় হিসেবে ধরা হয়। দ্য বুশ ভাইপার নামের সাপটি বেশিরভাগ সময় পার করে গাছে। রাতের বেলা শিকারে বের হয়। সাপটি দেখতে এমনিই বিদঘুটে তার ওপর সারা গায়ে পাতা আকৃতির কাঁটা। এরা থাকে আফ্রিকার উপকূল বনাঞ্চলে। ক্যামেরুনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ব্যাঙ পাবেন। একে বলা হয় গোলিয়াত ফ্রগ। ব্যাঙটি প্রায় এক ফুট পর্যন্ত দৈর্ঘ্যের হয়ে থাকে। জুতার আকৃতির ঠোঁটের অধিকার একটি পাখি দ্য সু বিল। এ পাখির বসবাস আফ্রিকার পূর্ব সমুদ্রবর্তী অঞ্চল, সুদান ও জিম্বাবুয়েতে।

জীবনে একবার স্নান , ছাই দিয়ে চুল পরিস্কার ও রক্ত এবং দুধ মিশিয়ে খেতে পছন্দ করে যৌনতা ভোগ করে মহিলারা !

by
তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে আফ্রিকায় কিছু উপজাতি আছে যাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সভ্যতার আলো পৌঁছেনি। যেমন ধরুন নামিবিয়ার হিম্বা। এদের মহিলারা জীবনে একবার স্নান করে, তাও বিয়ের আগে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তারা চুল ছাই দিয়ে ধুয়ে কাটিয়ে দেয়। রিফট ভ্যালিতে বাসরত মাসায়া জাতির জীবনযাপনের বড় অংশ হলো পশুপাখিদের মাধ্যমে চাষবাস করা। পুরোপুরি সভ্য না হলেও বর্তমানে শহর এলাকায় তাদের দুয়েকজনের দেখা যায়, তারা গৃহপালিত পশুর শরীর থেকে রক্ত এবং দুধ মিশিয়ে খেতে পছন্দ করে। দক্ষিণ কেনিয়ার যাযাবর আদিবাসী সাম্বুরু জাতি। কয়েক সপ্তাহ পর পর এরা খাবার জল এবং চারণভূমির সন্ধানে জায়গা বদল করে। দলের কেউ মারা গেলেও জায়গা বদল করে। ইথিওপিয়ার কিছু গোত্রের মানুষ আমোদ প্রমোদ করে থাকতে ভালোবাসে। বিপরীত লিঙ্গের কাছে আকর্ষিত হতে সাদা চক এবং বিভিন্ন ধরনের উপকরণ দিয়ে সজ্জিত করে।

আস্ত কাঁচা মুরগির বাচ্চা খেয়ে বিয়ের যোগ্যতা দেখায় কারা জানেন ?

by
আফ্রিকার কঙ্গোতে ওলেম্বা উপজাতির বিয়েতে বৌয়ের মূল্য ধরা হয় ৮টা তামার ক্রশ, ৩৫টা মোরগ এবং ৪টা কুকুর। এই দেশের বান্ডা গোত্রের মেয়েরা একটি কাঁচা আস্ত মুরগির বাচ্চা খেয়ে বিয়ের যোগ্যতা দেখায়। সঠিক রীতি অনুযায়ী খেলে বিয়ের যোগ্য বলে গণ্য হয়। পরবর্তী এক বছর সেই কনেকে পরিবার অতি আদর যত্নে রাখে। ইথিওপিয়ায় কোনো মেয়েকে পছন্দ হলে প্রপোজ নয়, তুলে নিয়ে বিয়ে। সেখানে প্রায় ৬৯ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয় এভাবেই। রুয়ান্ডাতে ওয়াটুসি গোত্রের বিয়েতে বর-কনে সবার উপস্থিতিতে মুখোমুখি দাঁড়ায়। বর-কনে উভয়ে কুলির পানি একে অন্যের গায়ে ছিটিয়ে দিলে বিয়ে হয়ে গেল। রুয়ান্ডাতে আরেকটি সম্প্রদায়ে বর নিজ হাতে কনের মুখ চুন দিয়ে সাদা করলে বউ হয়ে যায়। ইথিওপিয়ার গাল্লা গোত্রে বিয়ের বর কনেকে কোলে তুলে পানি ভরা একটি বড় পাত্রের উপর ফেলে। জোরে আওয়াজ হলে বিয়ে পাকাপোক্ত।

এরা কিস করেন কি করে ?

by
আফ্রিকার ইথিওপিয়ান উপজাতি ‘সুরি’। কষ্টকর ধর্মীয় রীতিনীতি, মেয়েরা সুন্দরী হওয়ার জন্য ঠোঁট কেটে লিপপ্লেট বসান, কানেও বসিয়ে থাকে। বয়ঃসন্ধিতে তারা দাঁত ভেঙে বিশেষ আকৃতি দেন। এতে নাকি মোটা অংকের পণও মেলে তাদের। গবাদি পশু উৎসর্গ এবং ভয়াবহ মারামারি তাদের ধর্মচর্চার অংশ। গ্রামের সব সিদ্ধান্ত গ্রাম্য প্রধান ‘কোমুরু’ গ্রহণ করেন। যখন কোনো সুরি একে অপরের সঙ্গে পরিচিত হয় প্রথমেই জিজ্ঞেস করে, কার কয়টা গরু আছে? গরুর মাংসের পরিবর্তে সুরিদের কাছে রক্ত অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ওলানে দুধ না থাকলে গরুর ঘাড়ের অংশ ছিদ্র করে রক্ত বের করে নেওয়া হয়। তবে সুরিরা গবাদিপশু সচরাচর বিক্রি বা হত্যা করে না। প্রতিটি সুরির ৩০-৪০টি গরু আছে। বিয়ে করার সময় সুরি পুরুষকে স্ত্রীর পরিবারকে ৬০টি গরু পণ দিতে হয়। গরু মারা গেলে ছয় দিন শোক প্রকাশ করে।

খত্না দিলে সতীত্ব রক্ষা পায়

by
আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এক আজব রীতি প্রচলিত, মেয়েদের খত্না। খত্না করা জীবিত নারীর সংখ্যা ২০ কোটির বেশি। বিশেষ ব্যবস্থা না থাকায় প্রাচীন নিয়ম, অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর ও ঝুঁকিপূর্ণভাবে নারীদের খত্না করানো হয়। কখনো অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মেয়েরা মারাও যায়। পশ্চিম আফ্রিকার মালি, বারকিনা ফাসো, মৌরিতানিয়া, গিনি, আইভোরি কোস্ট, সিয়েরা লিওনসহ আরও অন্যান্য দেশে এখনো অসহনীয় এ পদ্ধতি চালু আছে। শুধু কুসংস্কারের বশবর্তী হয়ে আফ্রিকান দেশগুলো এভাবে নারীদের খত্না প্রচলিত রেখেছে। আইভোরি কোস্টের মানুষ মনে করে নারীর খত্না দিলে সতীত্ব রক্ষা পায়। ভূমিষ্ঠ শিশুর সুস্বাস্থ্য ও মায়ের পরিচ্ছন্নতার পূর্ব শর্ত হিসেবেও ধরা হয়। মালির বোম্বারা ও টোগন গোত্র, বারকিনো ফাসোর মোসি গোত্র মনে করে নারীর ভগাঙ্কুর শিশু জন্মের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। আইভোরি কোস্টের লোক মনে করে এটি না করলে নারীরা গর্ভধারণ ক্ষমতা হারায়। এখানে নারীর খত্নাকে সামাজিক সম্মান ও পূর্ণ যৌবন প্রাপ্তির প্রতীক হিসেবে মনে করা হয়। এদিকে দক্ষিণ সুদান, কেনিয়া, মালি, আইভোরি কোস্টে এটাকে ধর্মীয় আচারও মনে করে থাকে।

Top Ad 728x90

Top Ad 728x90