Top Ad 728x90

More Stories

Tuesday, 22 May 2018

Raise Rs 750 cr via NCDs

by




Non-banking financial company, JM Financial Credit Solutions said it will raise up to Rs 750 crore by issuing bond next week. The non-banking financial services (NBFC) arm of JM Financial group said issue of its non-convertible debentures (NCDs) will open on May 28 with a base issue size of Rs 300 crore with an option to retain oversubscription up to Rs 450 crore aggregating up to Rs 750 crore (tranche I issue) within the shelf limit of Rs 2,000 crore.

The issue is scheduled to close on June 20, 2018 with an option of early closure or extension as decided by the Board of Directors of the company or the NCD Public Issue Committee, it said.

"Our total revenue increased at a CAGR of 109.9 percent from fiscal 2015 to fiscal 2018 and our profit after tax increased at a CAGR of 88.8 percent from fiscal 2015 to fiscal 2018.

"Our NCD issue is a significant step to optimise funding costs and maintain a diverse funding portfolio that will enable us to achieve funding stability and liquidity in a fast growing market full of opportunities," said Shashwat Belapurkar, CEO, JM Financial Credit Solutions.

Find out about 20 secret security codes of smartphones

by





Find out about 20 secret security codes of smartphones


Mobile is not using, but the people who are watching this tune online are now found impossible, and the use of mobile has increased the problem, but the problem is that there are 100 solutions in the problem where there is a problem. Smartphone 20 Important Security Code, which can be used anytime, bookmark this book now.

1.Reset Phone- * 2767 * 3855 #

2.IIMI know- * # 06 #

3. Lock Status- * # 7465625 #

4. Battery and phone information- * # * # 4636 # * # *

5.FTA version - * # * # 1111 # * # *

6.Touchskin code- * # * # 2664 # * # *

7.Viberture and Backlight Test - * # * # 0842 # * # *

8.Hardware and Software Detailes-

* # 12580 * 369 #

9.Digonstick Configuration- * # 9090 #

10.Dump System Mode- * # 9900 #

11. For information on cameramer - * # * # 34971539 # * # *

12.Factory Hard Reset - * # * # 7780 # * # *

13.Data Cable Control- * # 872564 #

14.GPS Test - * # * # 1472365 # * # *

15. Wifi Mac Address- * # * # 232338 # * # *

16. Bluetooth Device Info- * # * # 232337 # * # *

17.Ram version- * # * # 3264 # * # *

18.Thatskin version- * # * # 2663 # * # *

19.Display Test - * # * # 0 # * # *

20.Packet Lifesch Test - * # * # 0283 # * # *

..... ফ্রি - তে . নের চুল কেটে পালিয়ে যাচ্ছে

by





সৌম ছুটছে, তার পিছনে ডাক্তার ছুটছে।
এক ভদ্রলোক ডাক্তার-কে
থামিয়ে বললেন--
😊
"এভাবে ছুটছেন কেন!"
ডাক্তার-" আজ হারামজাদা-কে
মেরেই ফেলবো।"
      😊
ভদ্রলোক-"কেন, কি করেছে?"
                ☺
ডাক্তার-" শালা দুবছর ধরে ,
প্রত্যেক মাসে "হাইড্রোসিল অপারেশন"
করাবে বলে এসে, ফ্রি-তে . নের
চুল কেটে পালিয়ে যাচ্ছে।"
                     😊

......... তবেই না আসবে গনতন্ত্র

by






বর্ষায় সবাইকে ছাতা দেওয়া হবে,সব ছাত্রকে।
ছাত্রীদের কে রেনকোট দিলে কেমন হয়? ভালোই হবে।
লিখে দে কৃষকদের কোদাল দেবো, গ্রামের বউদের স্টিলের কলসি।
ক্লাব গুলোকে ক্যারাম বোর্ড দেব। বৃষ্টির দিনে খেলবে টুকুস,টাকুস।
কত কী দেবার প্ল্যান জাগে। শোন ঈদে সবাইকে লাছছা সিমাই
আর রথে জিলিপি আর পাঁপড়ভাজা। খাবে আর আমার নাম করবে।
স্কুলে একদিন ভাবছি কেজি থেকে পিজি সবাইকে ল্যাবেঞ্চুস দেবো,
স্বাধীনতা দিবসে স্কুলে স্কুলে বিচিত্রানুষ্ঠান করাবো।এসব দরকার,
দেশপ্রেম জাগবে। এই ১০০০০ টোটো দেবার ব্যবস্থা কর।
নাম লেখা থাকবে সরনীসাথী। আর কী? আর কী? আর কী?
কলেজ পড়ুয়া দের মোবাইল দেব। গেম খেলবে, চ্যাট করবে,
ভোটের সময় প্রচার করবে। আমার বানী, আমার নাম ছড়াবে।
কাউকে নামাবলী, কাউকে ফেজটুপি,শোয়টার,চাদর,জামা
ঘরে ঘরেপৌঁছে দিতে হবে। যেকোনো উৎসব পালন করাবো পাড়ায় পাড়ায়।
যুব সমাজকে নাচিয়ে দেবো, মাতিয়ে দেবো নানান নেশায়।
যাতে তারা মেতেই থাকে, দুলতেই থাকে, শক্ত পায়ে দাঁড়ানোই ভুলে যায়।
কবিদের নানান শ্রী, অভিনেতাদের নানান পদ,বুদ্ধিজীবীদের সম্মান, সব দেবো।
আহা ওদের এ যুগে কেই বা চেনে?প্রচার পাবার বড় ইচ্ছা ওদের।
তাই আমি দেবো,এতো দেবো যাতে সবাই কৃতার্থ থাকে,
কৃতজ্ঞতায় নুয়ে থাকে, নুইতে নুইতে শিরদাঁড়াটা আর যেন সোজা না হয়।
ওটা সোজা হলে দুঃসময় আসে।তাই এতো দেবো, যাতে হাত পেতেই থাকে,
হাত পাতাটা অভ্যাস করিয়ে দিতে হবে পার্মানেন্টলি। হাত তোলার অভ্যাসটা
যেন ভুলে যায়। অধিকার অর্জন নয়, ভিক্ষা পাওয়াই হবে ওদের লক্ষ্য।
নুয়ে পড়া, শুয়ে পড়া,সরীসৃপ সমাজে একমাত্র মাথা তুলে থাকবো আমি।
ওরা আমার কথায় নাচবে,গাইবে,তালি দেবে,বোম মারবে, ছাপ্পা দেবে,
তবেই না আসবে গনতন্ত্র।আমার স্বপ্নের আদর্শ উন্মুক্ত গনতন্ত্র।

তিনটে কচি গল্প…

by





তিনটে কচি গল্প…

🔴 এক......

একটা বিশাল হাতিকে ছোট একটা দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখা হল। কোন চেইন নেই, কোন খাঁচা নেই।

রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এই ব্যাপারটা খেয়াল করে খুব অবাক হলো একটা ছেলে। তার চিন্তা হলো চাইলেই এই হাতিটা দড়িটাকে এক নিমেষে ছিঁড়ে ফেলতে পারে। এইটা তার কাছে কোন ব্যাপারই না।

ছেলেটা হাতির ট্রেইনারকে পেয়ে জিজ্ঞেস করলো,

---   "ঘটনা কি! হাতিটা দড়ি ছিঁড়ে পালায় না কেন?" ট্রেইনার বললেন,

---   “হাতিটা যখন ছোট ছিল, তখন এমন দড়িতেই বেঁধে রাখা হত। তখন তার জন্য এই দড়িটাই উপযুক্ত ছিল। ছোট থাকা অবস্থায় এই দড়ি ছিঁড়ে বের হতে পারেনি বলে তার মনের মধ্যে ধারণা হয়ে যায়, এইটা আর কখনো ছেঁড়া যাবে না। তাই এখনো এই দড়িকে তার সেই আগের মতো শক্তিশালী মনে করে ছেঁড়ার চেষ্টাই করে না।”
..........

হাতির মতোই আমরাও জীবনের এক পর্যায়ে আর কোন চেষ্টাই করি না। আমাদের ধারণা হয়ে যায়, আমরা ব্যর্থতার দড়ি ছিঁড়তে পারবো না আর।

এই ভুল ধারণার উপর ভিত্তি করে চেষ্টা করাই বন্ধ করে দেই। নিজের যোগ্যতার উপর আস্থা হারিয়ে ফেলি।

অথচ, আরেকবার চেষ্টা করলেই হয়তো ব্যর্থতার দড়ি আমরা ঠিকই ছিঁড়ে ফেলতে পারতাম! তাই যেখানে সবাই থেমে যাবে, সেখান থেকেই আমাদের শুরু করতে হবে। থেমে যাওয়া মানেই হেরে যাওয়া।


🔴 দুই......

২৪ বছরের যুবক ট্রেনের জানালার পাশে বসে আছে। সমস্যা হচ্ছে সে আচরণ করছে শিশুর মতো। যা দেখছে তাতেই মুগ্ধ হচ্ছে। যা দেখছে সব কিছু নিয়েই তার কৌতূহল ! সে তার বাবাকে বলছে,

---   “দেখো দেখো বাবা গাছগুলো সব পেছনে চলে যাচ্ছে…!” তার বাবা কিছু না বলে শুধু একটু হাসলো।

অন্য পাশের এক দম্পতি করুণ চোখে ২৪ বছর বয়স্ক যুবকের কথা শুনছে। যুবক আবারও বললো,

---   “দেখো বাবা মেঘগুলো আমাদের সাথে সাথে দৌড়াচ্ছে… ওরা কোন স্টেশনে থামবে?” তার বাবা শুধু একটু হাসলেন। কিছু বলছেন না।

সেই দম্পতি যুবকের কথা শুনে বিব্রত হয়ে তার বাবাকে বললো,

---   “আচ্ছা আপনি ওকে ভালো কোন ডাক্তার দেখান না কেন? এত বয়সে এসে এখনো বাচ্চাদের মতো আচরণ করছে।” তার বাবা হেসে উত্তর দিলেন,

---   “ডাক্তার দেখিয়েছি। আসলে আমরা এখন হাসপাতাল থেকেই বাড়িতে ফিরছি। আমার ছেলেটা জন্ম থেকেই অন্ধ ছিল। আজই প্রথম সে পৃথিবীটা দেখার সুযোগ পেল…”
............

প্রতিটি মানুষের আচরণ এবং জীবনের পেছনে একটা গল্প থাকে। আমরা সেই গল্প না শুনে মানুষ গুলোকে ভুল বুঝি, নিজের মতো করে উল্টা পাল্টা গল্প বানাই তাদের সম্পর্কে।

কাউকে না জেনে তাকে নিয়ে কথা বললে একদিন তোমাকে বিব্রত হতে হবে। তার জীবনটা হয়তো তোমার কল্পনার চেয়েও কঠিন। তাই মন্তব্য করার আগে আমাদের সত্যটা জেনে নিতে হবে।


🔴 তিন.....

ছেলেটার বয়স ১০ বছর। কোন এক ফুটপাতের পাশে হয়তো থাকে। কিংবা কে জানে, কোন রেল লাইনের বস্তিতে থাকে।

রেস্টুরেন্টে গেল একদিন আইস্ক্রিম খেতে। তাকে দেখে রীতিমতো বিরক্ত রেস্টুরেন্টের ওয়েট্রেস। কারণ একটু পরই দোকান বন্ধ হয়ে যাবে। যদিও মুখে কিছু বলছেন না তিনি।

---   "এই আইস্ক্রিমের দাম কত?"

---   "৫০ টাকা।" ওয়েট্রেস উত্তর দিলেন।

ছেলেটা তার জমানো কয়েন গুলো গুনতে শুরু করলো। ওয়েট্রেস রীতি মতো রাগান্বিত হয়ে গেল। কারণ তার সময় নষ্ট হচ্ছে। এইদিকে কয়েন গুলো গোনা শেষ করে ছেলেটা আরেকটা আইসক্রিমের দাম জিজ্ঞেস করলো।

---   "ওই ছোট আইসক্রিম এর দাম কত?"

---   "এই তুমি শুধু শুধু যন্ত্রণা দিচ্ছো। যাও টাকা হলে আইসক্রিম কিনতে আসবা। এখন যাও।"

---   "বলেন না, এই ছোটটার দাম কতো ? আর জিজ্ঞেস করবো না।"

---   "৩৫ টাকা।" ছেলেটা আবার তার পুটলি থেকে কয়েনগুলো বের করে গুনলো।

---   "আচ্ছা একটা দিন।"

---   "আগে টাকা বের করো।" ছেলেটা ৩৫ টাকা হিসাব করে দিয়ে দিল। ওয়েট্রেস রাগী রাগী মুখ করে টাকা নিয়ে আইসক্রিম দিয়ে চলে গেল।

আর ছেলেটা কথা না বলে চুপচাপ আইসক্রিম খেয়ে বের হয়ে যায়। দোকান বন্ধ করার আগে ওয়েট্রেস যখন টেবিল পরিষ্কার করতে আসলেন তিনি দেখতে পেলেন, সেখানে ১৫ টাকা রাখা।

ছেলেটা তার জন্য টিপস হিসেবে যাওয়ার আগে ১৫ টাকা রেখে গিয়েছে! কিন্তু এই ১৫ টাকা যদি সে তখন দিতো তাহলে সে বড় আইসক্রিমটাই পেতে পারতো!

রীতিমতো ধাক্কা খেল ওয়েট্রেস। তিনি বুঝতে পারলেন ছেলেটার কাছে ৫০ টাকাই ছিল। কিন্তু সে প্রথম আইসক্রিমটা না কিনে কম টাকার দ্বিতীয় আইসক্রিম কিনেছে একমাত্র তাকে টিপস দেওয়ার জন্য।

তাই কাউকে তার বাহ্যিক পোষাক ও অর্থ দেখে বিচার করা উচিত নয়। অনেকে খুব চাকচিক্য পছন্দ করে। অনেকে টাকা উপার্জন করে। কিন্তু মনের দিক থেকে তারা ছোটই থেকে যায়।

মানুষকে তার মন এবং সুন্দর মানসিকতা দিয়ে বিচার করতে হবে। মনের সৌন্দর্যই যে আসল সৌন্দর্য।

बहुत ज्यादा सेल्फी शेयरिंग वास्तविक जीवन संबंधों को नुकसान पहुंचा सकती है

by




बहुत ज्यादा सेल्फी शेयरिंग वास्तविक जीवन संबंधों को नुकसान पहुंचा सकती है

selfies सोशल मीडिया पर बहुत अधिक साझा करना नेतृत्व कर सकते हैं अपने प्रियजनों के साथ अंतरंगता की कमी हुई है, एक अध्ययन में पाया गया।

ब्रिटिश शोधकर्ताओं के मुताबिक, जो लोग सोशल मीडिया पर खुद की कई तस्वीरें पोस्ट करते हैं

"लोग बहुत करीबी मित्रों और रिश्तेदारों के अलावा अन्य, जो लगातार खुद की तस्वीरें साझा उन लोगों के लिए अच्छी तरह से संबंधित प्रतीत नहीं है," बर्मिंघम विश्वविद्यालय में बर्मिंघम बिजनेस स्कूल से सीसा शोधकर्ता डेविड हॉटन ने कहा।

शोधकर्ताओं ने पाया स्वयं की तस्वीरें साझा के बढ़ते स्तर के समर्थन की कमी के स्तर का संकेत दिए जाने पर कि - मित्रों और सहकर्मियों से - "पसंद" हासिल करने के मामले में।

"यह याद जानकारी हम फेसबुक पर अपने दोस्तों के लिए पोस्ट, वास्तव में लोगों की विभिन्न श्रेणियों और प्रत्येक समूह के बहुत सारे द्वारा देखी हो जाता है के बारे में जानकारी साझा की एक अलग दृष्टिकोण लेने के लिए लगता है कि लायक है," ह्यूटन की व्याख्या की।

उन्होंने यह भी पाया गया कि संबंधों में अपने साथियों कम समर्थित महसूस जब लोगों को परिवार से मित्रों के फ़ोटो साझा करें।

"फेसबुक पर 'पसंद' के रूप में युवा महिलाओं को समर्थन मिल सकता है। अध्ययन में कहा गया है कि पुराने उपयोगकर्ताओं और पुरुषों को ऑनलाइन साझा करते समय कम समर्थन मिला।

Too much selfie sharing can harm real-life relationships

by



Too much selfie sharing can harm real-life relationships

Sharing selfies too much on social media can lead to decreased intimacy with your near and dear ones, a study has found.
According to British researchers, people who post too many photos of themselves on social media run the risk of damaging real-life relationships.
“People, other than very close friends and relatives, do not seem to relate well to those who constantly share photos of themselves,” said lead researcher David Houghton from the Birmingham Business School at the University of Birmingham.
The researchers found that an increased level of sharing photos of the self prompted a decreased level of support – in terms of “likes” achieved – from friends and colleagues.
“It is worth remembering that the information we post to our friends on Facebook, actually gets viewed by lots of different categories of people and each group seems to take a different view of the information shared,” Houghton explained.
He also found that partners in relationships feel less supported when people share more photos of friends than family.
“Young women were most likely to find support in the form of ‘likes’ on Facebook. Older users and men received less support when they shared online,” the study noted.
source: india today

Top Ad 728x90

Top Ad 728x90